আলিপুরদুয়ারঃ আলিপুরদুয়ার ২ ব্লকের যশোডাঙ্গা ব্লক অফিস থেকে সরকারি গাছ কেটে বিক্রির গন্ধ এখনো যায়নি । এরই মধ্যে কামাখ্যাগুড়ি এলাকায় সরকারি জায়গা থেকে গাছ বিক্রির অভিযোগে উত্তেজনা ছড়িয়েছে রবিবার। কাটা গাছ বাজেয়াপ্ত করেছে বনদপ্তরের আধিকারিকরা। গাছ বিক্রি করে কাটগড়ায় দাঁড়িয়েছে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত দপ্তর। সরকারি জমিতে বড় প্রাচীন গাছ বিক্রি করল তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত । খবর পেয়ে কিছুক্ষণ মধ্যেই গাছ বাজেয়াপ্ত করল বনদপ্তরের কামাখ্যাগুড়ি মোবাইল রেঞ্জ । তৃণমূল পরিচালিত আলিপুরদুয়ার জেলার কামাখ্যাগুড়ি ২নং গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন এক সরকারি জমিতে দীর্ঘ কয়েক বছরের পুরোনো শিশু গাছ কেটে পনেরো হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ । যদিও বিষয়টি নিয়ে অবৈধভাবে গাছ কাটা হয়েছে দাবী করেন বিজেপি নেতৃত্ব । পাল্টা বিষয়টি নিয়ে উপপ্রধান দাবী করেন প্রাচীন গাছ গ্রাম পঞ্চায়েত মিটিং করে মানুষের সুবিধার্থে কাটা হয়েছে ।
রবিবার সকালেই মধ্য কামাখ্যাগুড়ি এলাকায় খাস জমি থেকে গাছ গুলি কাটা হয় এবং তড়িঘড়ি গাছগুলি পাশ্ববর্তী কাঠ মিলে নিয়ে যাওয়া হয়। মিল মালিক কর্তৃপক্ষ কাটতে চান না বৈধ কাগজ না থাকায় ।পরবর্তীতে কাঠগুলি বাঁশ ঝোপে লুকিয়ে রাখা হয় । খবর পেয়ে বিজেপি নেতৃত্ব ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় এবং বনদপ্তরও পৌঁছায়। বাজেয়াপ্ত করে কাঠ গুলি ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করেনি বনদপ্তর তবে ঘটনাস্থলে যে ব্যক্তি নিয়ে যান তাঁকেও পাওয়া যায় নি । বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে কি করে সরকারি জমিতে গাছ কেটে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ তা বিনা অনুমতি বনদপ্তরের প্রশ্ন উঠেছে । সম্প্রতি আলিপুরদুয়ার জেলার আলিপুরদুয়ার ২নং ব্লক অফিসের ক্যাম্পাস থেকে গাছ কেটে ফেলা হয়েছিল বিতর্কে জড়িয়েছিল ব্লক প্রশাসন । বিক্রি করা গাছ বাজেয়াপ্ত করেছিল বনদপ্তর। ফের একই জেলার কুমারগ্রাম ব্লকের কামাখ্যাগুড়ি ২নং গ্রাম পঞ্চায়েত গাছ কেটে বিক্রি করে বিতর্কে জড়াল।